পুজোর আনন্দের মাঝেই বিষাদের ছায়া পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে। পঞ্চমীর সকালে জাতীয় সড়কের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক বাসে সজোরে ধাক্কা মারল একটি দ্রুতগতির ট্রাক। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একটি সরকারি বাসের কন্ডাক্টরের। আহত হয়েছেন আরও আট জন। দুর্ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কের পাশে একটি হোটেলের সামনে যাত্রীবাহী কয়েকটি বাস দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় খড়গপুরের দিক থেকে আসছিল একটি ট্রাক। অভিযোগ, আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসগুলিতে ধাক্কা মারে সেটি। সংঘর্ষের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তিনটি বাস এবং দু’টি ছোট গাড়ি।
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু সরকারি বাসের কন্ডাক্টরের
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নারায়ণগড় থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। আহত আট জনকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে একটি সরকারি বাসের কন্ডাক্টরকে বাঁচানো যায়নি। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত সরকারি বাসটি দিঘা থেকে দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে জাতীয় সড়কের ধারে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ই বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। কী কারণে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ
এই দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয় পুলিশ। ট্রাকটির চালকের ভূমিকা-সহ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুজোর মরশুমে রাস্তায় যানবাহনের চাপ বাড়ে। সেই সময় জাতীয় সড়কে এমন দুর্ঘটনা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলে দিল। নারায়ণগড়ের এই ঘটনায় মৃত কন্ডাক্টরের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।







