হোলির আবহ কাটতে না কাটতেই আকাশে শুরু হতে চলেছে বড়সড় গ্রহগত পরিবর্তন। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বুধ, বৃহস্পতি, রাহু ও কেতু—এই চার গুরুত্বপূর্ণ গ্রহ একসঙ্গে বক্রি অবস্থায় প্রবেশ করতে চলেছে। জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিরল সংযোগ বহু রাশির জীবনে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে, বিশেষ করে কর্মক্ষেত্র, অর্থভাগ্য এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এর স্পষ্ট প্রভাব পড়তে পারে।
অযোধ্যার জ্যোতিষী পণ্ডিত কল্কিরামের দাবি, গ্রহের এই অবস্থান অনেকের জীবনে থমকে থাকা পরিস্থিতিকে গতি দেবে। যেসব কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল, সেগুলি সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি আর্থিক উন্নতি ও নতুন সুযোগের ইঙ্গিতও মিলছে। তবে বিশেষভাবে তিনটি রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সময়টি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।
মিথুন
কর্মজীবনে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে পারে। নতুন দায়িত্ব বা পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে। যাঁরা চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য সময় অনুকূল। আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং আর্থিক স্থিতিও মজবুত হতে পারে।
তুলা
ব্যবসা ও জনসংযোগমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সময়টি ইতিবাচক। নতুন চুক্তি বা লাভজনক প্রস্তাব আসতে পারে। সামাজিক মর্যাদা ও প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সাফল্যের যোগও তৈরি হচ্ছে।
মকর
দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান মিলতে পারে। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অগ্রগতি হবে। বিনিয়োগের জন্য অনুকূল সময় তৈরি হতে পারে। অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে গ্রহের অবস্থান।
কী ধরনের সুফল মিলতে পারে?
** আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হওয়া
** অর্থপ্রাপ্তি বা সঞ্চয় বৃদ্ধি
** নতুন চাকরি বা ব্যবসায় অগ্রগতি
** বাড়ি বা গাড়ি কেনার সুযোগ
** আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি
জ্যোতিষীদের মতে, বক্রি গ্রহ মানেই সবসময় নেতিবাচক ফল নয়। অনেক সময় এটি অতীতের ভুল শুধরে নতুন করে পথচলার সুযোগ করে দেয়। তাই হোলির পরবর্তী এই সময়টিকে পরিকল্পনা ও ধৈর্যের সঙ্গে কাজে লাগালে বড় সাফল্য ধরা দিতে পারে।







