‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’, উক্ত স্লোগানই ছড়িয়ে পড়েছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে। তাতে ফলও হয়। অভিজ্ঞদের মতে, মহিলারা ঢেলে ভোট দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে মোদী সরকার মহিলাসংরক্ষণ বিল পাশ করিয়ে যাতে পশ্চিমবঙ্গে মমতার এই মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ভাগ না বসাতে পারে তারজন্যই এবার সতর্কবার্তা দিল তৃণমূল নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, বাংলার গ্রামীণ এলাকার মহিলাদের মধ্যে এর প্রভাব কতখানি পড়বে, সেই নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে রাজ্য বিজেপি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংসদ জানান, এমনিতেই মহিলাদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা বর্তমান। গত বিধানসভা ও পঞ্চায়েত ভেটের ফলাফলে বর্তমান রাজ্য সরকার এগিয়ে৷ তারপর আবার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র মতো ‘প্যপুলার’ প্রকল্প!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উবাচ, ‘মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ কী ভাবে করতে হয়, আমাদের দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই তা করে দেখিয়ে দিয়েছেন৷ আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ৫০ শতাংশ মহিলা প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে৷’







