দিল্লীর বুকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রীদের হেনস্তার ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় দেশ তথা রাজ্য।
মঙ্গলবার রাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের এমপি বিধায়কদের আটকের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নদীয়ার কালীনারায়ণপুর সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধে সামিল হয়, তৃণমূলের তরফে। পাশাপাশি বুধবার নদীয়া জেলার শান্তিপুর, নবদ্বীপ সহ বিভিন্ন প্রান্তে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কুশপুতুল জ্বালিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয় তৃণমূলের তরফে ।
এদিন নদীয়ার শান্তিপুরের রাজপথে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গিরিরাজ সিংহের কুশপুতুল জ্বালিয়ে প্রতিবাদ শান্তিপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের।
প্রাকৃতিক দূর্যোগ উপেক্ষা করেই বুধবার বিকেলের পর নবদ্বীপ স্বরূপগঞ্জ ঘাট সংগ্লগ্ন এলাকায় নবদ্বীপ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিক্ষোভে সামিল হয় তৃণমূলের তরফে।
তৃণমূল নেতৃত্বদের দাবি,” রাজ্যের বকেয়া টাকা একশো দিনের কাজের টাকা সহ সাধারণ মানুষের হকের টাকা চাইতে যাওয়া হয়েছিল দিল্লিতে। সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের এমপি ও বিধায়করা। আর সেখানে দিল্লী পুলিশের অমানবিক ব্যাবহার, ও অহেতুক লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পাশাপাশি বাংলার হাজার হাজার মানুষের প্রতিবাদে ভয় পেয়েছে নরেন্দ্র মোদি।
সেই কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের বিধায়কদের আটক করে পেশির জোর খাটানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্র আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাই কেন্দ্র সরকারের এই স্বৈরাচার আমরা শেষ থেকে ছাড়বো।”







