বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দার পর এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি , জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গেলো দিলীপ ঘোষের গলায় । গত ৯ আগষ্ট , পাশবিকভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয় আর জি করের মহিলা পড়ুয়া চিকিৎসককে । যার প্রতিবাদে প্রতিনিয়ত গর্জে উঠছে কল্লোলিনী কলকাতা । কখনও ডাক্তার , কখনও শিল্পী , কখনও প্রতিবাদে নামছেন সাধারণ মানুষরা । তবে প্রায় ২ মাস হতে গেলেও এখনো বিচার পাননি নির্যাতিতা । এরম আবহে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থান চোখে পড়ছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , জুনিয়র ডাক্তারদের পাঁচ দফা দাবীর মধ্যে চার দফা দাবী মেনে নেওয়ার পর , শনিবার আংশিকভাবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা । এ বিষয় দিলীপ ঘোষ আন্দোলন রত জুনিয়র ডাক্তারদেরকে কটাক্ষ করে বলেছেন , “জুনিয়র ডাক্তারদেরকে সকলে প্রশ্ন করছেন, এত নাটক করে, রাত জেগে কী হল? আর জি করের ঘটনায় কী পরিবর্তন হল? ক’জন সাজা পেয়েছেন? যাঁদের পদত্যাগ চেয়েছিলেন ওঁরা, তাঁরা প্রোমোশন পেয়েছেন। পিছন থেকে এই আন্দোলন যাঁরা চালাচ্ছেন , তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচানোর জন্য এসব নাটক করছেন না তো?”
তিনি আরো বলেন , “রাত জাগো, প্যান্ডেল জ্বালাও, রাতে বাতি জ্বালিয়ে ছবি তুলে চলে আসি, এই জন্যই কি দেড় মাস ধরে বাংলার মানুষ কষ্ট পেলেন? স্বাস্থ্য পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেল হাসপাতালগুলিতে, এর জবাব দিতে হবে না? এই যে আন্দোলন করে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলা হল, তাতে কী লাভ হল? আপনারা সরকারের বিরুদ্ধে একটা কথাও বলছেন না। সন্দীপ ঘোষও অনুব্রতর মতো ছাড়া পেয়ে যাবেন। বিনীত গোয়েল দিব্যি খাবেন, ঘুরে বেড়াবেন। সরকারের কি কোনও দোষ নেই? স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ হবে না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশমন্ত্রী, তাঁর সাজা হবে না? কেন মানুষকে ধোঁকা দিয়ে এভাবে আন্দোলনের নামে রাস্তায় নামানো হচ্ছে? পুজো বন্ধ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। মানুষ এই আন্দোলন থেকে কী পেলেন? এত বড় আন্দোলন, এত বড় শো, রোজ একবার করে রাস্তায় এসে নাটক, তালি দেওয়া। রেজাল্ট কী হল? এটা সোপ অপেরার মতো হচ্ছে কি? রেজাল্ট চাই, পরিবর্তন চাই। “







