মিঠুন চক্রবর্তীকে একের পর এক আক্রমণাত্মক মন্তব্যে বিঁধলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণাল-উবাচ, ‘সাপের খোলস বদলানোর অভ্যাস আছে। তিনি যদি এলিতেলি আমাকে বলে রাখেন, তাহলে জেনে রাখুন উনি এই এলি তেলির সঙ্গে পদ্মশ্রী সুপারিশ করতে প্রণব মুখোপাধ্যায় কাছে গিয়েছিলেন। ক্ষমা চাইতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছে গিয়েছিলেন। মনে রাখবেন সেতু তৈরি করতে কাঠবেড়ালিরও ভূমিকা আছে। ওঁর টিআরপি চলে গিয়েছিল, একের পর এক ছবি ফ্লপ করেছিলেন। উনি অবশ্যই একজন ফাইটার। কিন্তু আমাকে মিঠুন দা দেখাবেন না।’
অপরদিকে, মঙ্গলবার ত্রিপুরা সফরে যাওয়ার সময় বিজেপির তারকা নেতা তথা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী বিমানবন্দরে তাঁর সিনেমা প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের পালটা জবাবে বলেন, ‘আমার টিআরপি কোনওদিনই কমানো যাবে না। আমার টিআরপি নামাতে চেয়েছিলি। আর মরা পর্যন্ত পারবি না।’ তারপরই কুণাল ঘোষের নাম শুনে মহাগুরুর কটাক্ষ, ‘আমি এলিতেলিদের জবাব দিই না। ওসব গঙ্গারামদের কথায় জবাব দিই না।’
বিতর্কের আরম্ভ অভিজিৎ সেন পরিচালিত ‘প্রজাপতি’ ছবিকে কেন্দ্র করে। নন্দনে স্থান পায়নি জায়গা পায়নি এই ছবি। যার জেরে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। মিঠুন বিজেপি করেন বলেই ‘প্রজাপতি’ ছবিকে আলাদা চোখে দেখা হয়েছে বলে দাবি করে গেরুয়া দল।
দিলীপ ঘোষ এর প্রেক্ষিতে বলেছিলেন, ‘যে হেতু মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপিতে আছেন, তাই তাঁকে বয়কটের চেষ্টা হচ্ছে।’ জবাবে কুণাল বক্তব্য রাখেন, ‘এই সিনেমায় দেবের অভিনয় দারুণ। বিশেষ করে এই যে বাবা-ছেলের রসায়ন। ‘টনিক’-এ দেব আর পরাণবাবু ছিলেন। পরানবাবু সুপারহিট। আর এখানে ডুবিয়ে দিয়েছে মিঠুনদা। মিঠুনদাকে ১০ গোল দিয়ে দিয়েছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এই জায়গা থেকে ছবিটাকে টানার জন্য হয়তো কোনও বিতর্ক তোলার চেষ্টা করছে বিজেপি।’







