প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পরে উপাচার্যকে বীরভূম থেকে দিল্লি পাঠিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিশ্বভারতী বিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুত্ চক্রবর্তীকে একের পর এক আক্রমণ শোনাচ্ছেন নানুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গদাধর হাজরা।
সম্প্রতি, UNESCO-র ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের সম্মান পেয়েছে শান্তিনিকেতন।আর সেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে লাগানো ফলকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকা নিয়ে ইতিমধ্যে শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গলায় কবিগুরুরের ছবি নিয়ে কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুত্ চক্রবর্তীকে লাগাতার আক্রমণ এই প্রাক্তন বিধায়কের।
বুধবার ছিল এই অবস্থান বিক্ষোভের ষষ্ঠতম দিন।গতকালের অবস্থান মঞ্চ থেকে নানুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গদাধর হাজরা বলেন, “কবিগুরুকে অপমান করা হয়েছে। ওনার নাম ফলকে না রেখে নিজের নাম রেখেছেন। তাই আপনি যাওয়ার আগে ফলক তুলে দিয়ে যাবে। আর না তুলে দিয়ে গেলে আপনি যদি হার্ট অ্যাটাকে মারাও যান আপনার আত্মাকে বলব ফলক তুলে দিয়ে যেতে।” এখানেই শেষ নয়, গদাধরের হুমকি, “বিদ্যুত্বাবু আপনার সময় আর এক সপ্তাহ। আপনার আয়ু শেষ। আপনি বাংলা-বাঙালির ঐতিহ্যকে বন্ধ করে দিয়েছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাটে তুলে বলো হরি হরিবোল করে দিল্লি পাঠাবো।”
এর আগেও শান্তিনিকেতন থানায় গদাধরের বিরুদ্ধে উপাচার্য বিদ্যুত চক্রবর্তীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারপরও যে তিনি থেমে থাকার পাত্র নন তা গতকালের হুমকি থেকে স্পষ্টতই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।







