শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের খিদিরপুর ডকে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে জাহাজ ঢোকা-বেরনো। কারণ লকগেট মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ডক ব্যবস্থা একমাত্র উপায়। লকগেট মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ডকের ব্যবস্থা অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এই সমস্যা দূর করতে এবার বিশ্বমানের একটা কন্টেনার টার্মিনাল তৈরি করতে চলেছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর।
এর ফলে সময় যেমন বাঁচবে তেমনি লকগেট খোলা-বন্ধের জন্যে অপেক্ষা করতে হবে না।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, “আমরা একটি বিশ্বমানের টার্মিনাল তৈরি করছি। যেখানে জাহাজ এসে দাঁড়াবে। বেশি ওজনের ক্রেন আমরা ব্যবহার করব। কন্টেনার সেখানেই আনলোড হবে। প্রয়োজনে লোডিংয়ের কাজও সেখানে করা হবে। সেখান থেকেই রেল বা পণ্য পাঠানোর জন্য গাড়ি রাখা থাকবে। লকগেটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।”
বর্তমানে ৭৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৩টি প্রকল্পের কাজ চলছে। কলকাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরে হুগলি নদীর নীচে সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান। এটি চালু হলে কোণা এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা যাবে। রেল টার্মিনাল সহ মাল্টিমডেল পরিবহণের উপর জোর দিতে হবে বলেও চেয়ারম্যান জানান।
লকগেট খোলা থেকে জাহাজ ঢোকা ও বেরনো এই সব কাজে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লেগে যায়। যদি খিদিরপুর ডকের বাইরে এই আধুনিক টার্মিনাল তৈরি হয়ে যায়, তাহলে পণ্য খালাসে সময় কমবে।এই প্রকল্পের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়ে গেছে। ডিটেইলড প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। চেষ্টা করা হচ্ছে শীঘ্রই কাজ শুরু করে দেওয়ার। বন্দর ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে রৌপ্য জয়ন্তী পালন করা হচ্ছে বন্দরে। বন্দর ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব মডেলে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।







