সম্প্রতি ব্যারাকপুর সাংসদ ও তৃণমূল নেতা অর্জুন সিংকে নিশানা করেন জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। একাধিক দুর্নীতির পাশাপাশি ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ঘটে যাওয়া একের পর এক খুনের ঘটনায় অর্জুনের প্রতিই কটাক্ষ করেছিলেন সোমনাথ। গতকাল তৃণমূল বিধায়কের এগেব আক্রমণের পালটা জবাব দেওয়াতে সামিল হন অর্জুন। অপরদিকে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আসন নিয়েও আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যায় অর্জুন সিং-এর গলায়।
অর্জুনের উবাচ, ‘ব্যারাকপুর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলাম। মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ফের তৃণমূলে ফিরে এসেছি। অন্তর্দ্বন্দ্বের কোনও প্রভাব ভোটে পড়বে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ রয়েছে। তিন লাখ ভোটে ব্যারাকপুর ওঁকে রিটার্ন গিফট যদি না দিতে পারি, তখন আপনারা বলবেন।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভিকি যাদবের খুনের ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমনাথ শ্যাম বলেছিলেন, ‘ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় মেঘনা জুটমিলের পুরনো লাইন থেকে বেরিয়ে খুনিরা খুন করে পুনরায় সেখানে ঢুকে যায়। তাই আমি বলেছি কোথাও না কোথাও সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কেউ জড়িত রয়েছে। অর্জুন সিংয়ের পরিবারের সেই যুক্ত লোকের নাম পাপ্পু সিং। কেউ প্রভাব খাটাচ্ছে বলেই পুলিশ পিছিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পুলিশ এবার পিছবে না। কারণ পুলিশের কাছে গ্রেফতার করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ আছে। যে খুন করেছে তাকে জেল খাটতেই হবে।’
অপরক্ষেত্রে, নাম না করে সোমনাথকে ‘পোলট্রি মুরগি’ বলে তোপ দাগেন অর্জুন। তাঁর মন্তব্য, ‘নৈহাটির এক ওষুধের দোকান থেকে ইনজেকশন নিয়ে ওই পোলট্রি মুরগি চেঁচাচ্ছে। ওই ওষুধ ব্যারাকপুরের মধ্যে শুধু নৈহাটিতেই পাওয়া যায়। কারণ সেখানে বড় বড় চিকিৎসকরা বসেন। আমি কারও বিরুদ্ধে আক্রমণ না করি। আমার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে না। কারণ সবার সঙ্গে আমার ভাল সম্পর্ক। আমি জানি না, হঠাৎ করে কোন পোকা কামড়েছে ওঁকে। কোন ইঞ্জেকশন নিয়েছে সেটাও জানি না। খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছি।’







