সংবাদমাধ্যমের সামনেই কামিয়ে ফেলেছিলেন ঘন কালো লম্বা চুল। অঝোর নয়নে কেঁদে কেঁদে নিজের কষ্টের কথা জানিয়েছিলেন রাসমণি পাত্র। এসএলএস-টির চাকরিপ্রার্থীরা যে ধর্নায় বসেছিলেন তার ১০০০ তম দিনে প্রতিবাদে কান্নায় ভেঙ্গে পরেছিলেন।
বারবার মাননীয়ার কাছে আর্জি জানান যাতে তাদের চাকরি দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো রাসমণির ওই কামিয়ে ফেলার চুলের কি হলো তারপর! রাসমণি পাত্র জানান, ‘ওই চুল যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য তাঁদেরই এক সহযোদ্ধা ক্যান্সার আক্রান্ত সোমা দাসকে দিয়েছি। আমি চাই ওই চুল কারও কাজে লাগুক।’
তিনি আরো জানান এই সিদ্ধান্তে আসতে তাকে অনেক ভাবতে হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অনেক কষ্ট নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চাকরি পান নি তারা। বহুরাত নিজের সাথে লড়াই করে অবশেষে এই সিদ্ধান্তে আসেন।







