বেশ কয়েক বছর থেকে তিনি বিধবা ভাতার পেনশন পাচ্ছেন না বলে তার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন। যদিও বিষয়টা নিয়ে বারবার পঞ্চায়েত সদস্য গণেশ ঘোষ নির্দিষ্ট দফতরে লিখিত আকারে বিষয়টি জানিয়েছেন, কিন্তু সুরাহা আজ পর্যন্ত হয়নি। তাই এরপর একটি বড় পদক্ষেপ নেয়ার কথা পঞ্চায়েত সদস্য গণেশ বাবু বলেন, বেশ কয়েক বছর থেকে তার বিধবা ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবারে আয়ের তেমন উৎস নেই, মেয়ে কোনভাবেই দিন যাপন করছেন। এই মত পরিস্থিতিতে ননীবালা রায়ের একটি কঠিন রোগ ও ধরা পড়েছে। রোজ কয়েকশো টাকার ওষুধ লাগে। তার মধ্যে বন্ধ বিধবা ভাতা।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে দ্রুত তার সরকারী বিধবা ভাতা চালু করার দাবি করেছেন গণেশ বাবু, পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা বলেন বয়স্কজনিত কারণে তার বিধবা ভাতা এখন খুবই দরকার।







