বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম পদক্ষেপ, নিয়েছিলেন। তদন্ত শুরু করে সিবিআই, তাঁরই নির্দেশে। তারপর কেটে গেছে অনেকটাই সময়, গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। অনেকেই ‘জনগণের ভগবান’ বলেও থাকেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। আর সেই বিচারপতির বিরুদ্ধেই এবার হেনস্থার অভিযোগ উঠল। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস বয়কটের ডাক দেয় বার অ্যাসোসিয়েশন , এক আইনজীবীকে হেনস্থা করার অভিযোগ তুলে। এখানেই থেমে থাকেনি, বিষয়টি নিয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়। সোমবার রাতেই স্পেশাল কোর্ট বসল এই অভিযোগের ভিত্তিতে।
হাইকোর্ট সূত্রে খবর, এদিন ১৭ নম্বর এজলাসে মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশনের একটি মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। অভিযোগটি হলো, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেই শুনানির সময় এই মামলা সংক্রান্ত ডিভিশন বেঞ্চের একটি নির্দেশ পড়ছিলেন । ঠিক সেই সময় আইনজীবী প্রসেনজিত্ মুখোপাধ্যায়ের আচরণ ঠিক ছিল না বলে অভিযোগ। তারপরই ডেপুটি শেরিফ ডেকে ওই আইনজীবীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি এখন কলকাতার বাইরে আছেন, তাই রাতেই স্পেশাল কোর্ট বসে বিষয়টি নিষ্পতির জন্য। আইনজীবীদের অভিযোগ শোনা হয় বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে।
শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে । সেই আইনজীবীকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না । তবে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সংগঠন বার অ্যাসোসিয়েন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আইনজীবী হেনস্থার ঘটনার অভিযোগে। যদি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ক্ষমা না চান তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথেই হাঁটবে।







