বাঙালির শ্রেষ্ঠ নায়ক উত্তমকুমার । তিনিও নাকি সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়েছিলেন। আর তা টের পেয়েই অভিনেত্রীর বাবা বেরোন লাঠি নিয়ে। ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে এই তথ্য অভিনেত্রী নিজেই ফাঁস করলেন। আর তা শুনেই উঠল হাসির রোল। দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের পাশাপাশি সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও হাসি যেন কিছুতেই থামছিল না।
আগামী শুক্রবারই সিনেমা হলে মুক্তি পাবে প্রধান। দেবের পাশাপাশি এই ছবিতে অভিনয় করেছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মমতা শঙ্কর, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান অভিনেতারা। সেই সূত্রেই পরাণ ও সাবিত্রী এসেছিলেন ‘দাদাগিরি’তে । ছিলেন দেব, সৌমিতৃষা, অম্বরীশরা। বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই সাবিত্রী বলেন। তাঁর বাবা নয় বোনের বিয়ে দিয়েছেন কিন্তু তাঁর বিয়ে দিতে রাজি ছিলেন না কারণ তিনি সিনেমায় অভিনয় করতেন।
অভিনেত্রী জানান, তাঁর জন্য পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্বন্ধ এসেছিল। এর পরই আবার জানান, খোদ উত্তমকুমার তাঁর বাড়িতে লুকিয়ে এসেছিলেন। টের পেয়েই তাঁর বাবা লাঠি হাতে বেরিয়েছিলেন। ‘রাত দশটার পর বাড়িতে কে এসেছে?’ এমন প্রশ্ন করেছিলেন। বাবাকে নিরস্ত করতে অভিনেত্রী আর দিদি আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন বলেও জানান।
কিংবদন্তির এই কথাতেই হাসির রোল ওঠে। হাসতে হাসতে সৌরভ মজার ছলে বলেন, ‘ওই সব দেখেই পরাণদা আর যায়নি।’ দুজনের কথা শুনে দেব ও পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও হাসতে থাকেন। উল্লেখ্য, দেবের প্রযোজনাতেই তৈরি ‘প্রধান’। অভিজিত্ সেনের পরিচালনায় এই ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহম চক্রবর্তী, অনির্বাণ চক্রবর্তী, খরাজ মুখোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোহিনী সেনগুপ্ত, বিশ্বনাথ বসু, সুজন মুখোপাধ্যায়, দেবাশিস মণ্ডল।







