১৪ বছরের নাবালিকা ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড নির্দেশ দিলেন ঝাড়গ্রামের পকসো আদালত। মঙ্গলবার ওই আদালতের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে সাজা ঘোষণা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি সাঁকরাইল থানা এলাকায়।
প্রসঙ্গত, গত ২৪শে ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নাবালিকা ছাত্রীর মা সাঁকরাইল থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তিনি জানান ১৪ বছরের অষ্টম শ্রেণীতে পড়া তার মেয়ে ২০২২ সালের ফেব্রয়ারি থেকে ওই শিক্ষকের বাড়িতে পড়তে যেতেন। গত ২০শে ডিসেম্বর শিক্ষক ওই নাবালিকার মাকে ফোন করে জানায় তার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। এমনকি কেশিয়াড়ির একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন।
এরপরই ওই নাবালিকা ছাত্রী তার মাকে জানায়, ওই গৃহশিক্ষক তাকে একা পেয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এমনকি ওই নাবালিকা ছাত্রীকে কাওকে কিছু না জানানোর জন্য ভয়ও দেখায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে গোপন ভিডিও ও ছবি পোস্ট করে দেবারও হুমকি দেয়।
পকসো আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী তপনকুমার চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ দায়ের হওয়ার একমাসের মধ্যে পুলিশ তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছিল । উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে পেশ করেছিল । সাক্ষীরা যাতে নির্ভয়ে সাক্ষ্যদান করতে পারেন সেটাও সুনিশ্চিত করা হয়েছিল । পুলিশের সক্রিয়তার জন্যই এক বছরের মধ্যে বিচার পেল নির্যাতিতা ।’
অভিযুক্তকে ২১বছর কারাবাসের সাজার পাশাপাশি, ৬ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানাও করেছেন বিচারক । টাকা অনাদায়ে অতিরিক্ত ৩ মাস ১০ দিন কারাবাসের নির্দেশ হয়েছে।







