লোকসভায় সাসপেন্ড হয়েছিলেন আরও ৩জন কংগ্রেস সাংসদ। সাসপেন্ড হয়েছিলেন কংগ্রেসের ডি কে সুরেশ, নকুল নাথ এবং দীপক বৈজ। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত শীতকালীন অধিবেশনে গত ৫ দিনে সাসপেন্ড প্রায় ১৫০ জন বিরোধী সাংসদ। তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক আচরণের অভিযোগ।
সাংসদদের সাসপেনশন ইস্যুতে বড় মন্তব্য করে বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী বলেছিলেন, “আমাদের দল বিশ্বাস করে যে বর্তমান সংসদ অধিবেশনে প্রায় ১৫০ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা বিরোধী দল বা সরকারের পক্ষে ভাল কাজ বা মাইলফলক নয়। সংসদীয় ইতিহাসের জন্য, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং জনগণের বিশ্বাসের উপর আঘাত। এদিকে সংসদ প্রাঙ্গণে বরখাস্ত হওয়া সাংসদদের দ্বারা উপরাষ্ট্রপতির নকল করার ভিডিওটিও অনুপযুক্ত এবং অশালীন। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতবিরোধের এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও দেশের সংসদীয় ঐতিহ্যকে লজ্জায় ফেলা থেকে রক্ষা করা অপরিহার্য। বিরোধী-মুক্ত সংসদে অত্যাবশ্যকীয় বিলগুলি পাস করাও ভাল উদাহরণ নয়।“
আর এবার, সাসপেন্ড প্রসঙ্গে শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, “বিরোধীদের কাজ হল সরকারকে প্রশ্ন করা। আমি অনেক নেতার সাথে রাজ্যসভায়ও ছিলাম। কংগ্রেস যদি প্রশ্ন করে যে অভিযুক্তরা কীভাবে লোকসভায় প্রবেশ করল, তাহলে অমিত শাহের উত্তর দেওয়া উচিত। এতে ভুল কী? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উত্তর এই নিয়ে বাইরে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু লোকসভায় এসে তিনি একটা কথাও বলেননি। এটা কি গণতন্ত্র?”







