আজকের সাধারণ বাঙালি জীবনে যে কয়েকটি দিন সারা বছরের সমস্ত দুঃখ, কষ্ট, গ্লানিকে ভুলিয়ে দিয়ে মনের মধ্যে নতুন আনন্দের উচ্ছ্বাস জাগিয়ে তোলে, সেই দিনগুলির মধ্যে অন্যতম হলো বাংলা নববর্ষের সূচনাকাল। বাংলা নববর্ষ সুদীর্ঘকাল ধরে প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বর্ষ বরণের অনাবিল আনন্দে উদ্ভাসিত বাঙালির জীবন পুরনো বছরের সকল দুঃখ ও গ্লানির কথা ভুলে নতুন করে বাঁচার আশায় বুক বাঁধতে থাকে। এই প্রসঙ্গেই কবি হয়ত লিখেছেন— “নিশি অবসান,ওই পুরাতন বর্ষ হলো গত, আমি আজি ধূলিতলে এ জীর্ণ জীবন করিলাম নত, বন্ধু হও শত্রু হও, যেখানে যে কেহ রও ক্ষমা করো আজিকার মতো পুরাতন বছরের সাথে পুরাতন অপরাধ যতো।”
ঠিক তেমনই আজ নববর্ষ জানাতে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী ডক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় নেতাজি মেট্রো স্টেশন অর্থাৎ কুঁদঘাট এলাকাতে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে পথচলতি মানুষকে নববর্ষের শুভ কামনার পাশাপাশি তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন বাম, তৃণমূলের পরে যাদবপুরের রং পরিবর্তন সময়ের অপেক্ষা। যাদবপুরবাসি জানে আগের এমপি কোনো কাজ করেনি তাই শাসকদল এবারে প্রার্থী পরিবর্তন করে মানুষের কাছে ভালো হতে চাইছে, কিন্তু জনগণ সব জানে। তার সাথে প্রভাত ফেরিতে কয়েকশো মানুষ পা এ পা মিলিয়ে ঢাক ঢোল বাজিয়ে, গুনগুন করতে করতে পুরো এলাকা পরিক্রম করে এসে নেতাজি নগর নারকেল বাগান মোড়ে এসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান দেয়। বলা বাহুল্য মানুষের কাছে পৌঁছাতে অন্যান্য দিনের মতো আজও ডাবল এনার্জি নিয়ে হাসি মুখে সকাল হতেই মানুষের দরবারে নববর্ষের মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গা করে নিতে বদ্ধ পরিকর ডক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। তার সাথে মানুষের সেলফি নেওয়ার হিড়িক দেখে বলা যায়, জনগণের কাছের মানুষ হয়ে উঠতে সক্ষম তিনি।







