সাগরদিঘিতে বাম-কংগ্রেসের এহেন জয়লাভ তৃণমূলের কাছে এক বৃহৎ ধাক্কা, এবার এরূপভাবে দেখানোর প্রয়াসে বিরোধীরা। বলা হচ্ছে, সংখ্যালঘুদের আস্থা হারিয়েছে তৃণমূল। অপরদিকে আবার, শাসকদল হার মেনে নিলেও পালটা যুক্তি খাড়া করা হচ্ছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সাগরদিঘিতে বাম এবং কংগ্রেসের অনৈতিক জোট হয়েছে। যা নিয়ে তরজা অব্যাহত।
এই প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরীর উবাচ, ‘এই নির্বাচনে কংগ্রেস-বাম আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়েছিলাম। আমাদের এই নির্বাচনে তৃণমূলের একটা অংশের সমর্থন অর্জন করতে সমর্থ হয়েছি। আমার মনে হয়, কৌশলগত কারণে অনেক বিজেপি সমর্থকও ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রার্থী বায়রন সাধারণ মানুষের প্রার্থী হয়ে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয়বাহিনীর নিরপেক্ষতা এবং মানুষকে ভোট দেওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করাটা এই নির্বাচনে জয়ের অন্যতম কারণ। আমার একটাই কথা, এই নির্বাচন প্রমাণ করল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজেয় নয়। তাঁকে পরাজিত করা যেতে পারে। টিএমসিকে বধিবে যে, মুর্শিদাবাদে বাড়িছে সে। এই বাংলায় চোরতন্ত্র উচ্ছেদ করে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব। কংগ্রেস, বাম এবং অন্যান্য সমস্ত সঙ্গী দল মিলে।’
প্রসঙ্গত, এহেন পরাজয় থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। স্থানীয়দের মধ্যে অধিকাংশের মতে, তৃণমূলের হেভিওয়েটরা মাটি আঁকড়ে লড়াই করেছিলেন সাগরদিঘিতে। এখানে ৬০ শতাংশই রয়েছে সংখ্যালঘু ভোট। কংগ্রেসের গড়ও দুর্বল। তৃণমূলের তরফ থেকে বারংবার দাবি করা হয়েছিল উন্নয়নের জোয়ার এসেছে বাংলায়। সব শেষেও ধস নামল। পরাজিত হল ঘাসফুল শিবির।







