২০১৪ থেকে টানা ২০২৪ অবধি প্রধানমন্ত্রীর পদে অটল রয়েছেন নরেন্দ্র দামোদর মোদী। কিন্তু মোদীর মন্ত্রিসভায় টানা ৩ বছর (২০১৪, ২০২৯ ও ২০২৪) ধরে কোনও মুসলিম মুখের দেখা মেলেনি।
লোকসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার তারা দাবি করতেন এমনকি এখন তাদের ভোট দিচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের একটি অংশও। সেই দাবি খালি বলে অনেকে বলেছেন। তবে যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যায়, কিছুটা হলেও শুভেন্দুর দাবি সত্য। তাহলে বাংলায় সংখ্যালঘুদের কাছে এরপর শুভেন্দু-সুকান্তদের কোনও মুখ থাকল কি?
রাষ্ট্রপতি ভবনের উঠানে রবিবার সন্ধ্যায় নরেন্দ্র মোদী সহ ৭২ জন শপথ নেন। আর তাদের মধ্যে দেখা যায়নি একজন মুসলিমকেও। এমনকি মিত্র তেলেগু দেশম বা ইউনাইটেড জনতা দলও মন্ত্রী হিসেবে কোনো মুসলিম মুখকে নিয়োগ দেয়নি। পর্যবেক্ষকদের একটি বড় অংশের মতে এটিও একটি চমৎকার। তাছাড়া সরকারে দেশের সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক প্রতিনিধিত্ব নেই। কেউ কেউ আবার বলছেন, ভোট নেই মানে পদ নেই। অন্য কথায়, সংখ্যালঘুরা বিজেপি বা তাদের মিত্রদের ভোট দেয়নি। তাই কোনো পদও নেই তাদের।
সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহের অভাব নতুন নয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই তৈরি হয়েছে সেই প্রবণতা। গোধরা ঘটনার পর তা আরও তীব্র হয়। সেই মর্মক বুঝতে পেরেছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ীও। বিজেপির পক্ষে মুসলমানদের আস্থা অর্জন করা কঠিন বলে স্বীকার করেছেন তিনি। যদিও বাজপেয়ীর আমলে সংখ্যালঘু মুখ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ছিল। ১৯৯৮ সালে মোখতার আব্বাস নকভি বাজপেয়ী সরকারের মন্ত্রী হন। প্রথমে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হন। পরে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।







