রাজ্য

সল্টলেক আমার লজ্জা লাগছে বললেন মমতা ব্যানার্জি

আগের সপ্তাহের সোমবার এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন “সল্টলেক এখন একটা লজ্জা।সল্টলেক আমার লজ্জা লাগছে।”

সেখানকার বাসিন্দাদের মতে সল্টলেকে এখন ফুটপাথ জোড়া দোকান, ভাঙাচোরা রাস্তা, ময়লার স্তূপ, ভাঙ্গা লাইট সব জায়গায় ।

২৫জুনের এক সল্টলেক পরিদর্শনে দেখা যায় প্রধান রাস্তাগুলো ছোটো বড় গর্ততে ভর্তি।ফার্স্ট এভিনিউ,LB ব্লক , ইস্টার্ন ড্রেইনেজ কানালব্যাংকের রাস্তার অবস্থা পাহাড়ি রাস্তার মত ভাঙাচোরা।

সল্টলেকের সমস্ত ৫২ ব্লকের সর্বত্রই ফুটপাথগুলো স্টলের জন্য বন্ধ।দোকানরা সাধারণ মানুষের কোনরকমের চলার রাস্তা রাখেনি।

জিওগ্রাফিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া, করুণাময়ী হাউসিং এস্টেটের সামনে এবং সিটি সেন্টারের কাছে হকাররা বড় বাজার বানিয়েছে।

সল্টলেক সেক্টর থ্রির আইসি ব্লকের রাস্তার সর্বত্রই ময়লা ছিটিয়ে আছে।EM বাইপাস এর রাস্তার লাইট ভাঙ্গা।

একটা সময়ে সল্টলেকের লোকেরা গর্ব করত সল্টলেকের চওড়া রাস্তা,বড় ফুটপাথ এবং ফাঁকা জায়গার ওপরে ।আজ তার এই অবস্থা বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের অবহেলার জন্যে ।

ওই একই মিটিংএ মমতা ব্যানার্জি বলেন ” বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কাউন্সিলররা কাজ করেনা কেন?তাদেরকে তো নেওয়া হয়েছে।তারা রাস্তা ঝাড় দেয়না?তারা লাইট,রাস্তার এবং জলের ব্যবস্থার যত্ন নেয়না।তারা দেখেনা সাধারণ মানুষের কি কি সমস্যা।”

বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেছেন “দিদি আমাদের বকেছেন।আমরা ওই জায়গাগুলো দেখবো যেখানে আমরা গাফিলতি করেছি।official এবং কাউন্সিলরদের বলা হয়েছে তাদের কাজ করতে”।

মমতা ব্যানার্জি মিটিং এটাও বলেছেন ” সল্টলেকে সুজিত বসু দখলদারদের সাহায্য করছেন যেন এটা কোনো কম্পিটিশন ।বাইরে লোকেদেরকে আমরা কেনো দখল করতে দেবো?তাদের কত টাকা দিতে হয়?টাকাগুলো কে নয়?”

বিধাননগরের MLA সুজিত বোস বলেছেন “আমি সল্টলেকের হকারদের থেকে একটা টাকাই নেইনি।আমরা একটা দলের মত কাজ করবো এবং আমাদের সমস্ত সমস্যগুলিকে ঠিক করে নেবো”।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.