উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের লিডার তাজমুল হকের জনসমক্ষে এক মহিলাকে লাঠি দিয়ে মার।তার এই মারার ভিডিও অনলাইন মিডিয়ায় আসার ঠিক পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের MLA হামিদুল হক এই বিষয়ে তার মতামত দেন।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন “আমাদের মুসলিম রাষ্ট্রে কিছু নিয়ম ও শাস্তি আছে।কিন্তু এই বারে একটু বেশি হয়ে গেছে ।সেটাই আমরা গ্রামবাসীদের বলছি।” তিনি এটাও বলেন যে “এটি গ্রামের বিষয় ” এটার সাথে পার্টির কোনো সম্পর্ক নেই।আমরা ঘটনাটির ভুল স্বীকার করছি কিন্তু মহিলার ও ভুল ছিলো। মহিলাটি তার স্বামী, পুত্র ও মেয়েকে ছেড়ে চলে গেছিলো। মুসলিম রাষ্ট্রে কিছু নিয়ম কানুন, বিচার আছে।কিন্তু তাও আমরা শিকার করছে যা হয়েছে সেটা একটু বেশিই হয়েছে । আমরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবো।”
তার এই বক্তব্য বাংলা এবং নিউ দিল্লির রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।১৬ই জুনের টাজমুলের আরেকটি ভিডিও জনসমক্ষে আসে যেখানে দেখা যায় এক যুবক যুবতীকে মারা হচ্ছে।
এই বিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্যপ্রধান এবং ইউনিয়ন মিনিস্টার সুকান্ত মজুমদার বলেন ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে তৃণমূল বাংলাএ ‘sharin law’ এর মত সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।
বিজেপির IT Cell head অমিত মালভিয়া এই ভিডিওটি X এ প্রকাশ করে লেখেন “এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গে শাসনের কুৎসিত চেহারা।যিনি এই মহিলাটিকে মারছেন তিনি বিখ্যাত তার এই দ্রুত বিচারে জন্য তার এই ‘Insaf’ সভার মাধ্যমে, ছেলেটি চোপড়ার MLA হামিদুর রহমানের সাথে সরাসরি জড়িত “







