ফের রাজ্যে উঠে এলো ধর্ষণের অভিযোগ। এবারের ঘটনাস্থল মালদার হবিবপুর থানা এলাকায়। ডাক্তারি শেখানোর নাম করে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ কোয়াক বা হাতুড়ে ডাক্তারের বিরুদ্ধে।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হবিবপুর থানার অন্তর্গত। নাবালিকার পিতা জানিয়েছেন, এলাকায় এক কোয়াক বা গ্রামীন চিকিৎসক তার মেয়েকে বেশ কয়েকদিন ধরে ডাক্তারি হেলপারের কাজ শিখানোর জন্য বলেন এবং ডাকেন। এই সুযোগে গত বুধবার সন্ধ্যে ৭টা নাগাদ ফোন করে তার মেয়েকে ডেকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এরপর তার মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে সমস্ত ঘটনা জানালে, সাথে সাথে দু একজনকে নিয়ে গিয়ে ওই কোয়াক ডাক্তার কে ধরে মারধর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হবিবপুর থানার পুলিশ। কোয়াক ডাক্তার বা হাতুড়ে ডাক্তারকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় থানায়। এই ঘটনায় নাবালিকার পরিবারের লোক হবিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে জানা গেছে।







