আরজি কর কান্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এলো। আরজি কর কাণ্ডে পোস্টমর্টেম এর বিরোধিতা করেছিলেন ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান রিনা দাস। রিনা দাস তার চিঠিতে একটি মেমো উল্লেখ করেন এবং সেই মেমো অনুযায়ী বিকেল চারটের পর বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনভাবেই ময়নতদন্ত করা সম্ভব নয়। তিনি কিন্তু এই ময়না তদন্ত করতে একেবারেই রাজি ছিলেন না। প্রথম থেকেই যেমনটা জানা যাচ্ছিল পরিবারের তরফ থেকে প্রথম থেকেই বলা হয়েছিল তাড়াহুড়ো করা হয়েছিল এবং কিছু একটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে তাহলে তাড়াহুড়ো কেন হয়েছিল এবং সেই তাড়াহুড়োর কারণেই কি চারটের পরে পোস্টমর্টেম করার নির্দেশ দেওয়া হয়?এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ রিনা দাসের ইচ্ছের বিরুদ্ধেই কি পোস্টমর্টেম হয়েছিল?
খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে কোন কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কিনা? সেই কারণেই কি তাড়াহুড়ো করে পোস্টমর্টেম করা হয়? এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে টালা থানার ওসি স্বাস্থ্য ভবনে চিঠি লিখেছিলেন এবং মেমো নাম্বারও উল্লেখ করেছিলেন।







