বৃহস্পতিবার ভোরে আমেজ কাটতে না কাটতেই এক জোট তিন জায়গায় হানা দেয় ইডি। সন্দীপ ঘোষের চিনার পার্ক এর পৈতৃক বাড়িতে ইডি হানা দেয়। জানা গিয়েছে ওই বাড়ি তার বাবার নামে। চাবিওয়ালা ডেকে আনা হয়েছে প্রত্যেক ঘরের দরজা খোলার জন্য। প্রায় ৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে এখনো ইডি র তরফে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী চন্দন লৌহর টালার বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর আধিকারিকরা পৌঁছেছে।
সন্দীপ ঘোষের রাজত্বে ক্যান্টিনের টেন্ডার পেয়েছেন তিনি। এই টেন্ডার পাওয়াতেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে। এমনকি আর জি কর হাসপাতাল প্রাক্তন ডেপুটি সুপারিন্ডেন্ট আখতার আলীর অভিযোগ পত্রেও চন্দন লৌহের স্ত্রী ক্ষমা লৌহের নাম উঠে ছিল বেআইনি ক্যান্টিন চালানোর অভিযোগে।
অন্যদিকে কালিন্দী হাউসিং এ একটি সংস্থা অকটেন মেডিক্যাল সেটির সাথেও বেআইনি যোগ সূত্র পাওয়া গেছে । সেখানেও বৃহস্পতিবার ভোর ৬.৪৮ মিনিটে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছান। এই সংস্থায় কাল পর্যন্ত কর্মীরা নিয়মিত কাজ করেছেন তেমনটাই সূত্রের খবর। এই সংস্থার মূলত কাজ ছিল কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল গুলি তে যন্ত্রপাতি অর্থাৎ মেডিক্যাল ইকুইভমেন্ট সরবরাহ করা হতো। জানা যাচ্ছে এই সংস্থা বেশ কিছু জিনিস আরজি কর হাসপাতালে সরবরাহ করেছে। এও জানাচ্ছে, বাজার দরের থেকে বেশি দরে বেআইনি ভাবে টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ।







