আরজিকরের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গেসঙ্গে উঠে আসছে বিস্ফোরক সব তথ্য। ময়নাতদন্তে তাড়াহুড়ো ও ঘটনার পরবর্তীতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়াতে দেরি করার অভিযোগ উঠে আসছে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার বিরুদ্ধে।
সিবিআই-এর অভিযোগ, টালা থানায় বসেই ওই মামলায় কিছু ভুয়ো রেকর্ড ও নথি তৈরি করা হয়েছিল। টালা থানার সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে ও থানার তৎকালীন ওসি অভিজিত মণ্ডলকে জেরা করে, এবং বেশকিছু নথি পরীক্ষায় সেই তথ্য উঠে আসে।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্দীপ ঘোষ-সহ আরজিকরে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ধৃত চার জনের শুনানি হয় আলিপুরে সিবিআই বিশেষ আদালতে। সেখানেই চার জনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক সুজিতকুমার ঝা। আদালতে সিবিআই-এর দাবি ছিল, আরজিকরে দুর্নীতিতে অভিযুক্তেরা ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী’। ফলে তারা অন্য সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারে। উক্ত যুক্তি শুনেই অভিযুক্তদের আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।







