বাংলাদেশের উত্তাল পরিস্থিতি ঠিক করতে মোঃ ইউনূসের নেতৃত্বে গড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে ইউনুস দায়িত্ব নেওয়ার পর বারংবার জল্পনা উঠে এসেছে ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার। এমনকি এর আগে একবার বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হলেও সেই বৈঠক হয়নি। তবে চলতি বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।
জরুরি অবস্থায় প্রবল উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা ওপার বাংলা। এরপরই তড়িঘড়ি গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। যেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোঃ ইউনুস। তবে তারপরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে উঠে আসছে অশান্তির খবর। এমনকি দুর্গোৎসবের আগে একাধিক হিন্দু মন্দির ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে এক দল দুষ্কৃতি। এই নিয়ে ভারতের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই দ্বন্দ্ব বাঁধছে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের। তবে এখনো পর্যন্ত নতুন সরকার গঠনের পর ভারত বাংলাদেশের বৈঠক হয়নি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মোঃ ইউনুস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সেই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে সময়ের অভাবে সেই বৈঠক সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। যার ফলে দুই প্রধানের বৈঠক নিয়ে চড় চড়িয়ে বৃদ্ধি হচ্ছে জল্পনা। তবে ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কে জয়শঙ্কর ও তৌহিদ হোসেনের বৈঠকই দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের বিষয় অনেকটাই আলোচনা হয়েছে বলে মনে করছে সকলে।
ওই দুই নেতার বৈঠকের পরেই জানা গিয়েছে সব যদি ঠিক থাকে তাহলে হয়তো নরেন্দ্র মোদী ও মোহাম্মদ ইউনুসের বৈঠক হতে পারে আগামী নভেম্বর মাসে। এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ বর্তমানে খাদ্য সংকট মোকাবিলা ভারতকে ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে খুব একটা সহজ হবে না। ইতিমধ্যেই কয়েক টন খাদ্য সামগ্রী ট্রেন করে ওপার বাংলায় পাঠিয়েছে ভারত। সেই কারণেই এপার বাংলা ও ওপার বাংলার দুই প্রধানের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।







