জেলা

দ্বীপাবলীর সন্ধ্যায় এক ব্যাতিক্রমী ভাবনার সাক্ষী থাকলো পিংলার হান্দোল

সব্যসাচী গুছাইত, নিজস্ব প্রতিনিধী পশ্চিম মেদিনীপুর

অন্ধকার ও অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একগুচ্ছ প্রদীপের সমাহারই হলো দ্বীপাবলীর আলোর উৎসবের গুরুত্ব। দ্বীপাবলীর আলোতেই আলোকিত হয়ে ওঠে শহরতলী থেকে গ্রাম। সেজে ওঠে নানারকম রঙীন আলোয়।

প্রযুক্তির বাজারে দ্বীপাবলীর আলো থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির প্রদীপ। দ্বীপাবলীর সন্ধ্যায় একটু অন্য রকম, ব্যাতিক্রমী ভাবনার স্বাক্ষী থাকলো পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার প্রত্যন্ত হান্দোল গ্রাম।
গ্রামের ভাই ভাই ক্লাব গ্রামের সুবিশাল বিস্তৃর্ন এলাকায় আয়োজন করে দ্বীপাবলী উৎসবের। আট থেকে আশি, গ্রামের মা বোনেরা একসাথে জ্বালিয়ে দেন কয়েক হাজার মাটির প্রদীপ। চায়না রকমারী রঙিন বৈদুতিক আলোর মাঝেও তারা ভরসা আস্থা রেখেছেন মাটির প্রদীপেই। কারন তারা বলেন বাংলার দ্বীপাবলীর সংস্কৃতিই মাটির প্রদীপ। শুধু হান্দোল গ্রাম নয়, পাশের গ্রাম গোকুলচক গ্রামের গ্রামবাসীরা সহযোগীতা করে এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞে।

গ্রামের মেঠো রাস্তার দুধারে হাজার হাজার প্রদীপের জ্বলন্ত উচ্চশিখায় ঐক্যবদ্ধ ভাবে পুরো গ্রামের মানুষ অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করে। যা চোখে না দেখলেই নয়।

জানা যায় এ বছর চতুর্থ বর্ষে পড়েছে তাদের এই উদ্যোগ। ক্লাব কর্তা রাজু জানা বলেন প্রায় পাঁচ হাজার প্রদীপ আমরা এবছর জ্বালাতে পেরেছি। আগামীতে সকলের প্রচেষ্টায় এই উৎসব আরোও বড় আকারে করার ইচ্ছা আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.