হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে কী করবেন যাতে রোগীর জীবন বাঁচানো যায়? শনিবার অমৃতসর-কাটিহার আম্রপালি এক্সপ্রেসে এমন একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে যা জানলে গায়ের রোম খাঁড়া হয়ে যাবে আপনারও। এদিন এই ট্রেনে ঘটে যায় হাড়হিম করা এক ঘটনা যা প্রত্যক্ষদর্শিরা সহজে ভুলতে পারবেন না। চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই আচমকা এক যাত্রীর হার্ট অ্যাটাক হয়। তারপর মুহূর্তের মধ্যে যা ঘটে গেল সকলের চোখ তখন ছানাবড়া।ট্রেনে ভ্রমণরত এক যাত্রীর হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়। আচমকাই তিনি নার্ভাস বোধ করতে শুরু করেন এবং তারপর হঠাৎ চলন্ত ট্রেনের মধ্যে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনের এই কোচে।
অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত ডেপুটি চিফ টিকিট ইন্সপেক্টর রাজীব কুমার এবং মনমোহন কুমারকে বিষয়টি জানান। দুজনেই সেখানে টিকিট পরীক্ষা করছিলেন। তাঁরা শোনামাত্র সঙ্গে সঙ্গে আহত যাত্রীর কাছে ছুটে যান। তারাই শেষমেশ সিপিআর দিয়ে যাত্রীটির জীবন রক্ষা করেন।
CPR এবং কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার জন্য ক্রমাগত প্রচেষ্টার পরে, যাত্রী তার চোখ খোলেন এবং শারীরিক ভাবে অপেক্ষাকৃত ভাল বোধ করতে শুরু করেন। পাশাপাশি এরইমধ্যে চাপড়া স্বাস্থ্য ইউনিটের চিকিৎসককে অবিলম্বে হাজিরা দেওয়ার জন্য খবর পাঠানো হয়। পরের স্টেশনে একজন ডাক্তার এসে ওই যাত্রীটিকে পরীক্ষা করেন। এই সময় ট্রেনে ভ্রমণকারী লোকেরা এটির একটি ভিডিও তৈরি করে এবং পরে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে।
এছাড়াও সূত্রের খবর, উভয় টিকিট পরিদর্শকই কর্মযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগেই প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সিপিআর বা কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন অর্থাৎ জীবন রক্ষার জরুরি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই তাঁদের সিপিআর সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান ছিল। তাই তাঁরা ওই যাত্রীর জীবন বাঁচাতে পারলেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাড়মেরে ২৫ বছর বয়সি এক শিক্ষকের ক্লাস রুমের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত কারও সিপিআরের সম্যক জ্ঞান ছিল না বলেই পড়ুয়াদের চোখের সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিলেন ওই শিক্ষক। ঘটনাটি করার পর অনেকেই মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে কিভাবে এখানে প্রাণ বাঁচানো যায় সেই প্রশিক্ষণ যেন সবাই নেয়।







