কিছু দিন আগেই আর ফেলুদা বানাবে না বলে ঘোষণা করলেন বাংলার অন্যতম খ্যাত নামা পরিচালক সৃজিত। এই শুনে দর্শকের মধ্যে হতাশার পরিবেশ।
টলিউডের খ্যাত নামা পরিচালকসৃজিতের হাত ধরে ফেলুদা আসে ওটিটিতে। তার পরিচালিত সব ফেলুদা সিরিজই বিশেষ ভাবে জনপ্রিয় দর্শক মন্ডলীর মধ্যে। এই ঘোষণায় দর্শক সহ, টোটা রায়চৌধুরীও অশ্রুহত। স্টেজের মধ্যেই ধরা পরলো তার চোখে জল ছলছল করার মুহূর্ত।
সৃজিত স্পষ্ট ভাবেই তার ফেলুদা না করার কারণ বলেছেন,তিনি জানিয়েছেন, ফেলুদা বানাতে অনেক বেশি বাজটের প্রয়োজন। আগামী সময়ে ফেলুদা বানাতে হয়ত আরও ‘বড় ক্যানভাস’-এর দরকার পড়বে। আর সাধারণত ওয়েব সিরিজ বানাতে অত খরচ হয় না। আর তিনি প্রযোজকের উপর কোনো বাড়তি চাপ দিতে চান না, তাই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।
এদিকে টোটা বললেন , তিনিও জানতেন না সৃজিত ট্রেলার লঞ্চের সময়ই এমন কোনো ঘোষণা করবে। কাশ্মীরে ফেলুদার শ্যুটের সময়ও একবার সৃজিত বলেছিলেন, যে এটাই তাঁর শেষ ফেলুদা। তাই তিনিও বেশ চমকে গিয়েছিলন। তাঁর চোখেও জল চলে এসেছিল এই খবরে । তিনি এখনও সেই ঘোরের মধ্যে রয়েছেন।
টোট আরও বলেন , তিনি সৃজিতকে এই বিষয় অনুরোধও করেছিলেন। কিন্তু পরিচালকের যুক্তি স্পষ্ট। ‘ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর’-ই নির্মাণ হয়েছে বাজেটের বাইরে গিয়ে । আর বাংলা ওয়েব সিরিজে এত বেশি টাকা খরচ করা হয় না। এদিকে, হইচই অন্য সিরিজে ক্ষেত্রে যা দেয়, তার থেকে আড়াই গুণ বেশি বাজেট দিয়েছে ফেলুদা নির্মাণে । কিন্তু ফেলুদা বানাতে সেটাও কম পড়ছে।
অন্যদিকে ফেলুদা-র বড় পর্দার রাইট আছে একমাত্র সন্দীপ রায়ের কাছে। তাই সৃজিত মুখোপাধ্যায় যদি আর ফেলুদা না বানান, তাহলে টোটারও হয়তো আর ফেলুদা হয়ে ওঠা হবে না। টোটা ও সৃজিতের প্রথম যুগলবন্দী ছিল ফেলুদা ফেরত যা প্রকাশ্যে আসে ২০২০ সালে। যা প্রথম মুক্তি পেয়েছিল আড্ডা টাইমসে। এরপর হইচই এর জন্য ফেলুদার দ্বিতীয় সিরিজটি বানান । ২০২২ সালে মুক্তি পায় ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি। আর এবার ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে প্রিমিয়ার হবে ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর।







