মহারাষ্ট্রের তরুণ অলরাউন্ডার আর্শিন কুলকার্নি তার লিস্ট এ অভিষেকেই দুর্দান্ত শতরান করে দলকে সেমিফাইনালে তুললেন। পাঞ্জাবের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে মহারাষ্ট্র ৭০ রানে জয়লাভ করে।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মহারাষ্ট্র ৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। পাঞ্জাবের পেসার অর্জুনদীপ সিং তার সুইংয়ের মাধুর্যে মহারাষ্ট্র অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং সিদ্ধেশ বীরকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন। তবে, আর্শিন কুলকার্নি ও অভিজ্ঞ ব্যাটার অঙ্কিত বাওনের ১৪৫ রানের পার্টনারশিপ দলকে স্থিতিশীল করে। আর্শিনের ১০৭ রানের ইনিংসটি ছিল ধৈর্য ও দক্ষতার মিশ্রণ। শেষদিকে নিখিল নায়ক ২৯ বলে অপরাজিত ৫২ রান করে মহারাষ্ট্রকে ২৭৫ রানে পৌঁছে দেন।
পাঞ্জাবের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মহারাষ্ট্রের বাঁহাতি পেসার মুকেশ চৌধুরী দুর্দান্ত সুইং বোলিং করেন। প্রভসিমরন সিং ও অভিষেক শর্মাকে দ্রুত ফিরিয়ে পাঞ্জাবকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। তিনি পরে নেহাল ওয়াধেরাকেও আউট করে নিজের স্পেল শেষ করেন ৪৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে।
পাঞ্জাবের মিডল অর্ডার, বিশেষত রামানদীপ সিং এবং নমন ধীর, ব্যর্থ হওয়ায় দলটি চাপে পড়ে। তবে অর্জুনদীপ সিং শেষদিকে ৪৯ রান করে দলের পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান। পাঞ্জাব শেষ পর্যন্ত ২০৫ রানে অলআউট হয়।
মহারাষ্ট্রের এই জয় কেবল আর্শিন কুলকার্নি এবং মুকেশ চৌধুরীর অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফল নয়, বরং পুরো দলের সম্মিলিত প্রয়াসের প্রতিফলন। সেমিফাইনালে মহারাষ্ট্র কীভাবে নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।







