চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মঞ্চে পা রাখতে চলেছে ভারত, কিন্তু তাদের সাম্প্রতিক ফর্ম ও স্কোয়াড গঠনে কিছু বড় প্রশ্ন চিহ্ন থেকে যাচ্ছে। ২০২৩ বিশ্বকাপে দাপুটে পারফরম্যান্সের পরেও ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের ক্ষত এখনও দগদগে। সেই যন্ত্রণা ভুলে এবার ভারত শিরোপা পুনরুদ্ধারে মরিয়া।
তবে বড় ধাক্কা ভারতীয় পেস আক্রমণে। জসপ্রিত বুমরাহ নেই, আর চোট কাটিয়ে ফেরা মহম্মদ শামি এখনও ছন্দ খুঁজে পাননি। তাই দুবাইয়ের মন্থর পিচে স্পিন বিভাগই হবে ভারতের আসল শক্তি। অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব ও রবীন্দ্র জাদেজার ত্রয়ী বড় ভূমিকা নিতে পারেন। বিশেষ করে অক্ষর ব্যাট হাতেও কার্যকরী হয়ে উঠতে পারেন, যা ব্যাটিং অর্ডারে ভারসাম্য আনবে।
ব্যাটিংয়ে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সাম্প্রতিক ফর্ম ভারতকে স্বস্তি দিচ্ছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে দুজনেই ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুভমান গিল, শ্রেয়াস আইয়ার, কেএল রাহুলরা থাকায় ব্যাটিং লাইনআপ শক্তিশালী, তবে ধারাবাহিকতা প্রশ্নের মুখে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হতে চলেছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। চোটমুক্ত থাকলে তার অলরাউন্ড পারফরম্যান্স ভারতের কম্বিনেশনকে নিখুঁত করবে।
গ্রুপ-এ-তে ভারতের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ (২০ ফেব্রুয়ারি), পাকিস্তান (২৩ ফেব্রুয়ারি) ও নিউজিল্যান্ড (২ মার্চ)। সব ম্যাচই দুবাইয়ে, যা ভারতীয় দলের স্পিন নির্ভর পরিকল্পনাকে সুবিধা দেবে।
ভারত এর আগে ২০১৩ সালে এককভাবে ও ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল। ২০১৭-তে পাকিস্তানের কাছে ফাইনালে হার, এবার সেই ভুল শুধরে শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে পারে কি? দুবাইয়ের গরম হাওয়ার মাঝেও ভারতীয় শিবিরে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে।







