যাদবপুরের কান্ড নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
এই ঘটনা আরও উতপ্ত হয়েছে, যখন শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন যাদবপুরের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ইন্দ্রানুজ রায়, তারপরই শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়ির নীচে পড়ে যান এবং গাড়ির চাকাতে
ইন্দ্রানুজ রায়ের জখম হয়। এরপরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটে ডাক দিয়েছিল সিপিএম এবং এসইউসি-র ছাত্র সংগঠন।
আহত ছাত্রের চিকিৎসা চলছে যাদবপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে তাঁকে দেখে এসেছেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। আর মঙ্গল বার আহত ছাত্রের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। জানালেন আহত ছাত্রের অধ্যাপক বাবা।
সূত্রের মাধ্যমে জানাগেছে ইন্দ্রানুজের বাবা জানিয়েছেন , ‘ফোনে দুঃখপ্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু’। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় দুঃখিত, ব্রাত্য বসু ও তাঁর স্ত্রীও ।
এখনই হাসপাতাল থেকে ছাড়া হচ্ছে না যাদবপুরকাণ্ডে আহত ছাত্র ইন্দ্রানুজকে। আরও ২ দিন হাসপাতালে রাখা হবে তাঁকে । শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কেপিসি হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ড। ২ দিন পর ইন্দ্রানুজকে পরীক্ষা করে দেখবেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা।
ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর গ্রেফতারির দাবি করেছে সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠন SFI । পাল্টা ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন, ইন্দ্রানুজকে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ধাক্কাই দেয়নি। তাঁর দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির পিছনে ধাওয়া করছিলেন ইন্দ্রানুজ। পাশে রাখা একটি স্কুটিতে ধাক্কা লেগে তিনি পড়ে যান। সেই সময়ও তিনি ব্রাত্য বসুর গাড়ির পিছনেই ছিলেন বলে ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন দেবাংশু।







