ইডেনে বুধবার যেন হলুদ ঝড়! নামতে না নামতেই ‘সিএসকে, সিএসকে’ ধ্বনিতে কেঁপে উঠেছিল ক্রিকেটের এই ঐতিহাসিক মঞ্চ। মনে হচ্ছিল যেন ম্যাচটা চিপকে হচ্ছে, কলকাতায় নয়। মাঠজুড়ে ধোনির ভক্তদের জয়জয়কার। এমন এক সন্ধ্যায় কলকাতার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হল আরও এক হারের বোঝা—যেটা চেন্নাইয়ের কাছে যেন উৎসবের জয়।
১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যখন ধুঁকছিল চেন্নাই, তখন ম্যাচে নাটকীয় মোড় এনে দেন কলকাতার বৈভব অরোরা। তাঁর ১১তম ওভারে ওঠে ৩০ রান—যেখানে ব্রেভিস একাই মারেন তিনটি ছক্কা এবং তিনটি চার। এক ওভারেই ম্যাচ হাতবদল করে। তার পরে ধোনি-ম্যাজিক! ৪৩ বছর বয়সেও তিনি জানিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে এখনও ‘ফিনিশার’ বলা হয়।
শিবম দুবের সঙ্গে গড়া জুটি ও শেষ মুহূর্তে ধোনির শীতল মাথার ব্যাটিং, যেন পুরনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে দিল। ধোনি শুধু রান করলেন না, দলের মনোবলও চাঙ্গা করলেন নিজের উপস্থিতিতে। শেষের দুই বলে যখন ৩ রান প্রয়োজন, তখন তিনিই ব্যাট হাতে তুলে নিয়ে ম্যাচ শেষ করলেন।
বল হাতে চেন্নাইয়ের নুর আহমেদ, পাথিরানা ও মঈন আলিরা কলকাতার টপ অর্ডারকে চাপে ফেলে দেন। আন্দ্রে রাসেল চেষ্টা করেছিলেন কিছুটা রান তুলতে, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। কলকাতা বুঝে গিয়েছে—শুধু মাঠে নয়, গ্যালারিতেও তারা হেরে বসে আছে।
চেন্নাই যদিও এই জয়েও প্লে-অফে পৌঁছতে পারবে না। তবে বুধবারের ম্যাচ প্রমাণ করল, আইপিএলে আবেগ, অভিজ্ঞতা ও এক ধোনি নামের ক্রিকেটার—সব সময়েই গেম চেঞ্জার হয়ে ওঠেন।







