ধসে আটকে গেছে সবকিছুই, আর তার সূযোগ নিচ্ছে সিকিমের হোটেলগুলি। এক প্যাকেট মেরী বিষ্কুটের দাম যেখানে দশ টাকা সেখানে দাম চাওয়া হচ্ছে পঞ্চাশ টাকা। এক কাপ চা তিরিশ টাকার নীচে নেই। সকালের রুটি তরকারির দাম একশো টাকা এবং দুপুরের খাবার আমিশ হলে সাতশো এবং নিরামিশ হলে পাঁচশো টাকা।জলের দামও তিরিশ টাকার নীচে নেই। এক রাত হোটেলে থাকার ভাড়া গিয়ে দাড়িয়েছে প্রায় তিনগুন। পর্যটকদের এখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাচি অবস্থা। যাদের কাছে টাকা পয়সা আছে তারা দার্জিলিং হয়ে শিলিগুড়িতে নেমে বাড়ি ফিরে গেছেন। এমনকি সিকিমের এটিএম গুলিতেও টাকা নেই বলে অভিযোগ পর্যটকদের। ব্যাঙ্ক বন্ধ প্রায় এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে। যারা ব্যাঙ্কে কাজ করেন তারা ব্যাঙ্কেই আসতে পারছেন না। ফলে গোটা ব্যাবস্থা অচল হয়ে পড়েছে সিকিমে।

পর্যটকেরা আবেদন করছেন রাজ্য সরকারের কাছে যাতে তাদের আকাশ পথে শিলিগুড়িতে পৌছে দেবার ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সিকিমের বাজারও বন্ধ, ফলে গোটা এলাকায় টাকা থাকলেও কিছুই করতে পারছেন না মানুষ। মাঝে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে প্রায় তিনশো পর্যটককে নামিয়ে আনা হয়েছিল। তারপরে আর কোন পর্যটককে নামিয়ে আনা হয় নি। ফলে একেবারেই মাঝ রাস্তায় পড়ে গেছেন পর্যটকেরা। যারা মনে করছেন কোনভাবে বাড়ি ফিরতে পারলেই বাঁচা যাবে।







