পুরী যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি যাত্রীবোঝাই বাস। শুক্রবার সন্ধেবেলায় পশ্চিমবঙ্গের চাকদা থেকে রওনা দিয়েছিল বাসটি। পুরী যাওয়ার উত্তেজনায় ভরপুর ছিল যাত্রীরা, যার মধ্যে ছিলেন বহু পরিবার ও শিশুরাও। কিন্তু শনিবার সকালে, আচমকাই একটি দাঁড়িয়ে থাকা লরিতে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি।
প্রবল গতিতে থাকা বাসটি যদি চলন্ত লরিকে ধাক্কা মারত, তাহলে প্রাণহানির আশঙ্কা থেকেই যেত। তবে সৌভাগ্যবশত, লরিটি স্থির থাকায় বড়সড় বিপর্যয় কিছুটা এড়ানো গিয়েছে। তবুও এই ধাক্কায় বাসটির সামনের অংশ কার্যত দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই বাসের চালক ও খালাসি পলাতক। কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অতি দ্রুতগতিই কি দায়ী? না কি চালকের গাফিলতি?— সেই প্রশ্নই এখন সামনে উঠে আসছে।
ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয় ওড়িশা পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। আহতদের চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি যাত্রীদের পুরী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করে প্রশাসন।
ঘটনাটি যেমন আতঙ্কের, তেমনই চেতনারও— রাস্তার নিয়ম ও যাত্রী নিরাপত্তার গুরুত্ব আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই দুর্ঘটনা। পরিণতি আরও ভয়ানক হতে পারত, কিন্তু ঈশ্বরের কৃপা বলেই বেঁচে গেল বহু মূল্যবান প্রাণ।







