আহমেদাবাদে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা অসংখ্য হাসিখুশি পরিবারকে এক নিমিষে ধ্বংস করে দিয়েছে। যে পরিবারগুলি গতকালও স্বপ্ন বুনেছিল, আজ তাদের জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। এই অকল্পনীয় ঘটনার পর প্রতিটি স্বজনহারা মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন, “কেন এমন হলো? কী দোষ ছিল এই নিরপরাধ মানুষগুলির যে তাদের এমন মর্মান্তিক পরিণতি হলো?”
এই গভীর শোক ও প্রশ্নের মাঝে ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথনে মহারাজ জি এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এই বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে করা কর্মের ফল আমাদের ভোগ করতেই হয়। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “আপনারা আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার কথা শুনলেন, ভাবুন জীবিত মানুষ কীভাবে পুড়েছে। তাই এই কষ্ট থেকে বাঁচতে সকল প্রাণীর জন্য ঈশ্বরের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।”
মহারাজ জি আরও বলেন, “কিছুক্ষণ নিজেকে সেখানে উপস্থিত করুন। ভাবুন, আমাদের ওপর জীবন্ত পেট্রোল পড়েছে, পুরো শরীর জীবন্ত পুড়ছে। অচেতন অবস্থায় পোড়াটা এক জিনিস, কিন্তু জীবন্ত পোড়াটা কতটা ভয়ানক দুঃখের হবে! এটা শুধু তাদের জন্য নয়, আমাদের জন্যও। আমরা যেকোনো দুর্ঘটনায় পড়তে পারি, আমাদেরও কিছু হতে পারে।”
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, “তাই ঈশ্বরের শরণে থাকুন, ঈশ্বরের নাম জপ করুন যতটা পারেন। না হলে কখন এখান থেকে পাতা সাফ হয়ে যাবে, বিমানের যাত্রীরা তো পুড়লেনই, যেখানে বিমান পড়েছে সেখানেও মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এরই নাম মৃত্যুলোক, বড় ভয়াবহ।” প্রেমানন্দ জি শেষ করেন এই বলে, “যিনি গর্ভে আমাদের রক্ষা করেছেন, তিনিই সর্বত্র আমাদের রক্ষা করতে পারেন, অন্যের সামর্থ্য নেই। তাই ঈশ্বরের নাম জপ করা অত্যন্ত জরুরি।” এই গভীর আধ্যাত্মিক বার্তা হয়তো শোকার্ত হৃদয়ে কিছুটা হলেও শান্তি আনতে পারে।







