মেডিক্যাল কলেজের পর এবার ল কলেজে উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। উল্লেখজনকভাবে এই ঘটনার পর তৎপরতার সঙ্গে পুলিশ গ্রেফতার করে একে একে ৪ অভিযুক্তকে। তবে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র। এবার তাঁর বাবার মুখে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর দাবি।
এই ধর্ষণের অভিযোগে মূল অভিযুক্ত হিসেবে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় ল কলেজের ছাত্র মনোজিৎ মিশ্র। তাঁর বাবার কথার ইঙ্গিতে জোরালো হচ্ছে রহস্য। তাঁর বাবা স্পষ্ট জানিয়েছেন গত ৫ বছর ধরে ছেলের সঙ্গে কোনো রকম যোগাযোগ না থাকলেও তিনি মনে করছেন তাঁর ছেলে কলেজের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির শিকার হয়েছে।
পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন কলেজে ক্ষমতা দখলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। সেই কারণে মনোজিৎ মিথ্যা অভিযোগে ফেসেছে বলে দাবি অভিযুক্তের বাবার। এমনকি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি তাঁর ছেলের প্রবল আগ্রহ ছিল বলে জানালেন তার বাবা। তার জন্যেই ছাত্র পরিষদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়। এছাড়াও নেতা হিসেবে পরিচিতি ও ‘দাদা’ সম্বোধন বেশ পছন্দের ছিল বলে মত তাঁর বাবার। এই ঘটনায় তার সমাজের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন মনোজিতের বাবা। একই সঙ্গে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে তিন দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন।







