মহাকাশ গবেষণায় ফের যুগান্তকারী ভারত। মাত্র ৭ দিনেই তৈরি থ্রিডি রকেট ! চেন্নাইয়ের স্টার্ট আপ সংস্থা ‘অগ্নিকুল কসমস’ এর হাত ধরে আসলো বিপ্লবের জোয়ার। চেন্নাইয়ের এই সংস্থা সংশ্লিষ্ট রকেটটির ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ভাবে গড়েছে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিতে। এবং সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় , গোটা প্রক্রিয়াটা একটানা একবারে শেষ করা হয়েছে। কোনো বাধা বিপত্তি চারারই এই প্রজেক্ট গড়ে এক নয়া নজির তৈরি করেছে ‘অগ্নিকুল কসমস’। তাই অনায়াসেই বলা যায় , মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এটি এক ‘মাইলফলক’।
কিন্তু সাধারণ জনগণের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে , কী এই থ্রিডি প্রিন্টিং? সাধারণত কোনো সাদা কাগজে কিছু ছাপাতে গেলে বা প্রিন্ট করতে গেলে প্রয়োজন হয় কালির । কিন্তু সেসবের কোনো ঝামেলায় থাকে না থ্রিডি প্রিন্টারে। থ্রিডি প্রিন্টারে কালি নয় , বরং তার বদলে প্লাস্টিক, ধাতু বা অন্য কোনও জিনিস ব্যবহার করা হতে পারে। আর চমৎকারের বিষয় হলো কাগজ বা ক্যানভাস নয়, প্রিন্টের নামে বাস্তবেই যে কোনো জিনিসকে গড়ে দিতে পারে এই থ্রিডি প্রিন্টার। সেটা হতে পারে কোনো প্লাস্টিকের বোতল , বা হতে পারে কোনো ক্যামেরা , বা হতে পারে , অন্য যে কোনো জিনিস। আর এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আস্ত একটা রকেট , তাও আবার মাত্র ৭ দিনে তৈরি হওয়ায় দেশ জুড়ে বিস্ময়ের ঝড় বয়ে গেছে।
প্রযুক্তিবিদদের দাবী থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি এই রকেট কিন্তু বেশ টেকসই। তাঁদের কথা অনুযায়ী , এই থ্রিডি প্রিন্টিং পদ্ধতিতে আলাদা আলাদা করে রকেটের অংশগুলিকে জোড়া লাগাতে হয় না। যার ফলে রকেটে ফাঁক বা লিকেজ থাকার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। তাই অনায়াসেই বলা যায় , এই থ্রিডি প্রিন্টিং পদ্ধতি , ভারতের প্রযুক্তিকে , আরো দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।







