অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী ফিরছেন এক ভিন্ন স্বাদের সিনেমা ‘পরী-মণি’ নিয়ে, যা নির্মিত হচ্ছে এম/এস সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী প্রোডাকশনের ব্যানারে। ছবির গল্পে মিশেছে অতিপ্রাকৃত ভয়, সামাজিক বার্তা আর এক মায়ের মানসিক যন্ত্রণার ছবি। পরিচালক সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী ও সৌভিক দে’র যৌথ প্রযোজনায় তৈরি এই ছবির মূল চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্ধার্থ নিজেই।
ছবির কেন্দ্রে রয়েছে পরী নামের এক কিশোরী মেয়ে, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার মায়ের গভীর মানসিক টানাপোড়েন, অপরাধবোধ আর সমাজের নির্দয়তা। একটি সাধারণ ঘরের দেওয়ালেই লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় অতীত, যা প্রকাশ পায় পরী ও তার মায়ের জীবনে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত এক ঘটনার মাধ্যমে। হরর ঘরানার আবহের মধ্যে ছবিটি তুলে ধরবে নারীর চেতনার ভাঙন এবং নীরব সমাজের নিষ্ঠুরতা। তনুশ্রী জানিয়েছেন,”‘পরী-মণি’ আমার কেরিয়ারের এক বিশেষ অধ্যায়। চরিত্রটি গভীর, বহুস্তরীয় এবং শুটিং লোকেশনও ছিল দারুণ। শিশুশিল্পীর অভিনয় অসাধারণ। পরিচালকদ্বয়ের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট, তাঁদের সঙ্গে কাজ করে দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে।’
পরিচালকদ্বয়ের কথায়,”প্রথমে ‘পরী-মণি’ শুধুই এক হরর গল্প ছিল, কিন্তু লেখার সময় বোঝা যায়, আমাদের সমাজেই লুকিয়ে আছে আসল ভয়। আমরা চেয়েছি অতিপ্রাকৃতের রোমাঞ্চের সঙ্গে সামাজিক অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে মেলাতে, যেন দর্শক শুধু ভয় পান না, ভাবেনও।” রজতাভ দত্ত, দেবরাজ ভট্টাচার্য ও প্রজ্ঞা গোস্বামীও অভিনয় করছেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। পরিচালকেরা বলছেন,”এই সিনেমা এক সতর্কবার্তা, আমাদের আশেপাশের চেনা জায়গা থেকেই অনেক সময় ভয়ের আসল উৎস তৈরি হয়।”







