জ্বালানি সুইচ বন্ধ হয়েছিল কেন?
১২ জুন আহমেদাবাদে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান (AI-171)। রানওয়ে ছাড়ার ২৬ সেকেন্ডের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় বিমানের দুই ইঞ্জিনের জ্বালানি সরবরাহ! প্রশ্ন উঠেছে—এই সুইচ কি পাইলট ভুল করে বন্ধ করেছিলেন, না কি বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল?
তদন্তকারীদের নজর এবার বিমানের লেজে!
প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমানের লেজের যন্ত্রাংশগুলি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, সেখানেই থাকে এপিইউ (Auxiliary Power Unit)—যেখান থেকে প্রাথমিক বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। সেই সঙ্গে পরীক্ষা হচ্ছে ট্রান্সডিউসার ও রাডারও।
ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার হলেও পুড়ে গিয়েছে তথ্য!
লেজের দিকের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার হলেও তাতে আগুন লেগে তথ্য পুড়ে যায়। ফলে বড় বাধা তদন্তে। এখন বিকল্প তথ্যসূত্র খোঁজা হচ্ছে লেজের অন্যান্য সেন্সর ও যন্ত্রাংশ থেকে।
শর্ট সার্কিটে আগুন? সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারীরা।
ধারণা করা হচ্ছে, লেজে শর্ট সার্কিট হয়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল, ফলে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে দুই ইঞ্জিনই অফ হয়ে যায়।
ককপিটে কী ঘটেছিল সেই মুহূর্তে?
দুর্ঘটনার মুহূর্তে একজন পাইলট আরেকজনকে প্রশ্ন করেছিলেন—”ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন?” জবাব এসেছিল, “আমি কিছু বন্ধ করিনি!”
এরপরই জরুরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা RAT চালু করা হয়, কিন্তু ততক্ষণে বিপদ অনেকটাই গভীর হয়ে গিয়েছে।
‘গোল্ডেন শ্যাসি’ থেকে আসতে পারে চূড়ান্ত উত্তর।
এই বিশেষ ডেটা রিকভার সিস্টেম হয়তো শেষমেশ জানাতে পারবে, এই দুর্ঘটনার পেছনে কার গাফিলতি—পাইলট না যান্ত্রিক গোলযোগ?
২৬০ জনের মৃত্যু, উত্তাল দেশজুড়ে বিতর্ক।
বিমানে থাকা ২৪১ যাত্রী ও কর্মীসহ মোট ২৬০ জন প্রাণ হারিয়েছেন এই দুর্ঘটনায়। এখন গোটা দেশ অপেক্ষা করছে—কে দায়ী এই মৃত্যুমিছিলের জন্য?
এখনও বহু প্রশ্নের উত্তর বাকি… তদন্তের অপেক্ষা।







