পশ্চিমবঙ্গের একাধিক ঐতিহাসিক স্থানে বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারির অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)। রাজ্যসভার নবনির্বাচিত সাংসদ ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য উঠে এসেছে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতায় থাকা ASI-র অধীনস্থ বিভিন্ন স্থাপত্যের অবস্থা জানতে চেয়ে মোট চারটি প্রশ্ন করেন শমীক। তাঁর প্রশ্ন ছিল— ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির মধ্যে কতগুলি বর্তমানে বেআইনি নির্মাণ বা দখলদারির শিকার? সেই সমস্যার মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় স্তরে?
ASI-র জবাবে জানানো হয়, রায়গঞ্জ সার্কেলে বর্তমানে ৫২টি ঐতিহাসিক সৌধ ও কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি স্থানে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, আরও পাঁচটি স্থাপত্য দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানানো হয়।
এই সমস্ত তথ্য তালিকা আকারে তুলে ধরেছে ASI। সেখানে কোচবিহার রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদের হাজারদুয়ারি— একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সৌধের নাম রয়েছে, যেখানে দখলদারি বা অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
ASI জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে বারবার স্থানীয় প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে, ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিস পাঠানো হয়েছে, এমনকি পুলিশ ও রাজ্য সরকারের কাছেও পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। তবে রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়নি।
ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।






