রাজ্য

মোচার প্রভাবে দীঘায় সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা, মুখ ভার পর্যটক ও আকাশের

নিজস্ব সংবাদদাতা: শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোকা, সরাসরি বাংলায় কোনও প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু, তাসত্ত্বেও এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মন খারাপ দিঘার পর্যটক থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীদের। প্রখর তাপমাত্রার মাঝে শনিবার সকাল থেকে দিঘার আবহাওয়া বেশ মনোরম। মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া সামান্য স্বস্তি থাকা সত্ত্বেও সমুদ্রে নামতে না পারায় মন খারাপ পর্যটকদের। সমুদ্র নামতে না পারে মন খারাপ করে পাড়েই দাঁড়িয়ে রয়েছেন পর্যটকরা। পাড়ে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের অপরুপ দৃশ্য উপভোগ করছেন তাঁরা। ঘূর্ণিঝড় মোকার কারণে সমুদ্রের জল উত্তাল হতে পারে। সেই কারণে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে সমুদ্রে নামার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

কোনও পর্যটক যাতে সমুদ্র না নামতে পারে, সেই কারণে সেখানে নজরদারি চলছে। তাসত্ত্বেও লুকিয়ে-চুরিয়ে কিছু পর্যটক সমুদ্রে নেমে পড়ছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র থেকে উঠে যেতে বলছে দায়িত্বে থাকা নুলিয়ারা।

 

কিন্তু দিঘার সমুদ্রে নামতে না পারার কারণে মন খারাপ অনেকের। প্রশাসন সূত্রে খবর, ১২ ও ১৩ মে পর্যটকদের সমুদ্র নামতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, তাজপুর, মন্দারমণি সহ বিভিন্ন সি বিচে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আতঙ্কে দিঘাতে কমেছে পর্যটকদের সংখ্যাও। দিঘা-শংকরপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যেই অনেকেই হোটেল ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাঁদের ব্যবসা ধাক্কা খেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.