সম্প্রতি এক ভিডিওতে দিল্লির চিকিৎসক অদিতিজ ধমিজা দাবি করেন, পাড়ার পার্লারে নিয়মিত ভ্রু প্লাক বা থ্রেডিং করাতে গিয়ে লিভার বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ব্যবহৃত পুরনো সুতোয় যদি হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস থাকে, তবে সেটি ত্বকের সূক্ষ্ম ক্ষতের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে লিভার সিরোসিস বা লিভার ফেইলিওরের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।
এই দাবিকে সমর্থন করেছেন কলকাতার চিকিৎসক অভিজ্ঞান মাঝি। তাঁর মতে, থ্রেডিং নিজে লিভারের জন্য ক্ষতিকারক নয়, কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি না মানলে রক্তবাহিত ভাইরাস ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা থাকে। “ভ্রু তুলতে গিয়ে চোখ বা কপালে ছোট ক্ষত হতে পারে, যা খালি চোখে বোঝা যায় না। অপরিষ্কার বা পুনঃব্যবহৃত সুতোয় থাকা ভাইরাস সেই ক্ষত দিয়ে রক্তে ঢুকে পড়তে পারে,” জানান অভিজ্ঞান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হেপাটাইটিস বি ও সি ছাড়াও অপরিষ্কার পার্লারে একই সরঞ্জাম ব্যবহারে এইচআইভি-সহ আরও কিছু সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
সতর্কতার পরামর্শ
শুধুমাত্র পরিচ্ছন্ন, স্যানিটাইজড পরিবেশে থ্রেডিং করানো
ব্যবহৃত সুতো যেন একেবারে নতুন হয়
কাজ শেষে মুখ ফেসওয়াশ বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ধুয়ে ফেলা
থ্রেডিং নিজে বিপজ্জনক নয়, কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ঝুঁকি বাস্তব। তাই সৌন্দর্যের জন্য স্বাস্থ্যকে অবহেলা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।







