দক্ষিণ দমদমের বেদিয়াপাড়ায় এক প্রোমোটারের মৃত্যুকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। মৃতের নাম গোপেন দাস (৫৫)। পরিবার এবং স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের ধার-দেনা এবং প্রতিদিন পাওনাদারদের চাপের মুখে পড়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। অনেকে আবার বলছেন, আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছিল।
বুধবার সকাল প্রায় দশটার সময় অফিসের কর্মীরা তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
পরিবারের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে আর্থিক সংকটে ছিলেন গোপেন দাস। তাঁর একমাত্র মেয়ে প্রায় বিশ বছরের, তার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় ভুগছেন স্ত্রী সম্পা দাস। সম্পা জানান, ধার ছিল, কিন্তু কোনও অনৈতিক কাজে জড়াননি। শুধু টাকা ফেরাতে দেরি হয়েছে। সংসারের ভার সামলাতে সম্প্রতি হোম ডেলিভারি ব্যবসা শুরু করেছিলেন বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, ওই সময় অফিসে রঙের কাজ চলছিল। একজন কর্মী বাইরে গেলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।” হঠাৎ এই মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক।







