এক সপ্তাহও কাটেনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের। তবুও ফের ‘বিস্ফোরক’ ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন জেলাওয়াড়ি। এবার নিশানায় নিজের দলেরই আরেক দাপুটে নেতা—বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ।
সূত্রের খবর, অভিষেক বৈঠকে হুমায়ুনকে সতর্ক করে বলেছিলেন—“সব কিছু নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করবেন না, এতে দল বিড়ম্বনায় পড়ছে।” বৈঠকের পর টানা পাঁচদিন ‘চুপ’ থেকেছিলেন বিধায়ক। কিন্তু তার পর ফের মুখ খোলেন এবং কার্যত সংঘর্ষবিরতির সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করলেন।
গতকাল বড়ঞায় কাজল শেখের সফর ঘিরেই শুরু হল নতুন বিতর্ক। কাজল শেখ ব্লক কনভেনর মাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, সাংবাদিক বৈঠকও করেন। আর সেই প্রসঙ্গ টেনে হুমায়ুন জেলাওয়াড়ি সাংবাদিকদের সামনে কটাক্ষ করে বলেন—
“বড়ঞার বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা অনুব্রতর সঙ্গে আছেন। কাজল তাই বালি চোরদের সঙ্গে রয়েছেন।”
এর আগে ফিরহাদ হাকিমকেও একহাত নিয়েছিলেন হুমায়ুন। দলবিরোধী মন্তব্য, প্রকাশ্য কটাক্ষ—এসবের জন্য তাঁকে একাধিকবার শোকজ নোটিস ধরানো হয়েছে। একসময় নতুন দল গঠনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পর কিছুটা নরম সুরে ফেরেন তিনি।
কিন্তু ফের তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যে দল চরম অস্বস্তিতে। মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের রাজনৈতিক অন্দরে শুরু হয়েছে জল্পনা—অভিষেক সতর্ক করার পরও কেন থামছেন না হুমায়ুন? দলের সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন দিকে গড়াবে?
এ নিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ মহল কী পদক্ষেপ নেয়, এখন নজর সেদিকেই।







