বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেল চত্বর ঘিরে ছড়ালো তীব্র চাঞ্চল্য। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোতে যখন আগের একাধিক ধর্ষণকাণ্ডের স্মৃতি এখনও তাজা, তার মাঝেই ফের ধর্ষণের অভিযোগ উঠল কলেজের হস্টেলে। সূত্রের দাবি, এক তরুণীকে প্রলোভন দেখিয়ে হস্টেলে ডেকে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে এক জুনিয়র চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে এবং আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বিষয়টি। তবে অভিযুক্ত চিকিৎসক এখনও ধরা পড়েনি। বরং আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছে সে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালীন নির্দিষ্ট সময় অন্তর হাজিরা দেওয়া ও প্রিন্সিপালের কাছে শর্তসাপেক্ষ মুচলেকা জমা দেওয়ার ভিত্তিতে আপাতত সে আইনের ফাঁস এড়িয়ে গিয়েছে।
তবে এই ঘটনায় কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গলদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অভিযুক্ত কীভাবে হস্টেলের কক্ষে বহিরাগতকে প্রবেশ করাল, সেই প্রশ্নেই এখন উত্তাল আলোচনা। শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেই উঠে আসছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার ছায়া—তাতে নিরাপত্তাহীনতার চিত্র আরও স্পষ্ট হচ্ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। জেলা বিজেপির পক্ষ থেকেও কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে একের পর এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলির পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।







