মুলানপুরের মহারাজা যদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টি জয় করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুইন্টন ডি কক আগ্রাসী ভঙ্গিতে ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে ছিন্নভিন্ন করে দেন। মাত্র ৪৬ বলে ৯০ রানের ইনিংসে তিনি সাতটি ছক্কা ও পাঁচটি চার হাঁকিয়ে ইনিংসের গতি নির্ধারণ করে দেন। তাঁর সঙ্গে মার্করাম, ব্রেভিস এবং শেষ দিকে ডোনোভান ফেরেইরার দ্রুত রান যোগ করার ফলে প্রোটিয়াদের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ২১৩ যা টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো দলের জন্যই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য। ভারতের বোলারদের মধ্যে একমাত্র বরুণ চক্রবর্তী কিছুটা সাফল্য পান, কিন্তু সামগ্রিকভাবে ভারতীয় বোলিং সেভাবে ছাপ ফেলতে পারেনি। অর্শদীপ সিং একটা ওভারে সাতটি ওয়াইড বল দিয়ে বিতর্কে সৃষ্টি করেন।
বিপুল রান তাড়া করতে নেমেই ভারত শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। ইনিংসের প্রথম বলেই শুভমান গিল শূন্য রানে ফিরে যান, একই ভাবে সূর্য কুমার যাদবসহ টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়। এর ফলে একদিকে চাপ তৈরি হয়, অন্যদিকে মাঝেমধ্যে উইকেট পড়তে থাকলে রান তোলার গতি আস্তে আস্তে থমকে যায়। এসর মাঝে তিলক বর্মা এক প্রান্তে লড়াই করে যান এবং ৬২ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন, কিন্তু তাঁকে খুব একটা সঙ্গ দিতে পারেননি অন্য ব্যাটাররা। হার্দিক পাণ্ড্য,বা জিতেশ শর্মা রানের খাতায় যোগ দিলেও কেউই ইনিংস গড়ে তোলার মতো অবস্থান তৈরি করতে পারেননি। ফলত ভারতের সংগ্রহ ২০ ওভারে থেমে যায় ১৬২ রানে।
দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের নেপথ্যে কেবল ব্যাটিং নয়, বোলিং আক্রমণের শৃঙ্খলাও ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ। অটন ব্যার্টম্যান চার উইকেট নিয়ে ভারতের রানচেজকে বারবার ব্যাহত করেছেন এবং ইনিংসের মাঝপথেই ম্যাচের দিক দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে টেনে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৫১ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজকে ১–১ সমতায় ফিরিয়ে এনেছে।







