রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের মাত্র এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ দল ছাড়ছেন, কেউ আবার গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এই পরিস্থিতির মাঝেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—তৃণমূল কংগ্রেস কি শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে একীভূত হতে চলেছে? সূত্রের খবর, দীর্ঘ ২৮ বছর পর আবার কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সম্ভাবনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের অন্যতম মুখ কুণাল ঘোষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে?
এক শীর্ষস্থানীয় বাংলা সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুণাল ঘোষ বলেন, এই বিষয়ে মন্তব্য করার মতো পরিস্থিতি এখন নেই। তাঁর কথায়, দলের নেত্রী বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন এবং সেখানে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সিপিএমের শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়েছিল। অতীতে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, বর্তমানে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। তাই পর্দার আড়ালে কী আলোচনা চলছে, তা নিয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানান কুণাল।
বেলেঘাটার বিধায়ক আরও বলেন, শুধুমাত্র সূত্রের খবরের ভিত্তিতে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক নিয়েই তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন এবং সেই দায়বদ্ধতা ও কৃতজ্ঞতাবোধ তাঁর মধ্যে রয়েছে। ভোটের পর নানা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও তিনি নির্দল হওয়ার কথা ভাবেননি। তাই ভবিষ্যতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে রাজনৈতিক পথ বেছে নেবেন, তিনিও সেই পথেই থাকার চেষ্টা করবেন। তবে রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।







