বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিজের ঘরে চায়ের আমন্ত্রণে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। উপস্থিত ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল এবং মনোজ টিগ্গা। দুই বিরোধী দলের মধ্যে এহেন সৌজন্যের পরবর্তীতে চর্চার রোল ওঠে। এবার এই ঘটনার পরই শোনা যাচ্ছে, শান্তিকুঞ্জে ‘চায়ের আমন্ত্রণে’ আসতে পারেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে শান্তিকুঞ্জে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।
এটা ঘটনা যে, দিব্যেন্দু এখনও খাতায় কলমে তৃণমূল সাংসদ। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চায়ের আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই পারেন। কারণ তাঁরা একই দলের প্রতিনিধি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগদানের পরবর্তীতে কাঁথির সঙ্গে কালীঘাটের সমীকরণ বদলেছে। তবে দিব্যেন্দু ও শিশির তৃণমূলে থাকলেও তাঁদের দলে ব্রাত্যই বলা চলে। কোনও সভা-সমাবেশে দেখা যায় না তাঁদের।
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভায় সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দিব্যেন্দুর উবাচ, ‘বিরোধী দলনেতা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই পারেন। ওঁরা নমস্কার বিনিময় করেছেন। নিঃসন্দেহে এটা ভাল দিক। একটি সুস্থ আলোচনায় শাসকরা তাদের কথা বলবে, বিরোধীরা নিজেদের কথা বলবে, এটাই তো অভিপ্রেত। সব সময় তো বিধানসভা বা লোকসভা অচল করে, হট্টগোল করে কাজ হয় না। এতে সময় নষ্ট হয়। মানুষ আমাদের নির্বাচিত করেছেন বলার জন্য। সেই বলার সুযোগ যদি আমরা না পাই।’







