রামায়নে হনুমান লঙ্কায় আগুন লাগিয়েছিলেন ধর্মের জন্য, কিন্তু এরা আগুন লাগিয়েছে অধর্মের জন্য’। হাওড়াকাণ্ডে পরিস্থিতি উপর নজর রাখার জন্য এবার রাজভবনে বিশেষ কমিটি গঠন করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
এমনকি হাওড়ার কাজিপাড়ায় অশান্তির আঁচও দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে ফোন করে পরিস্থিত সম্পর্কে খোঁজখবর নেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফোন করার হাওড়াকাণ্ডে তৎপর হন রাজ্যপাল। বিকেলেই রাজভবনে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা নিয়ে তিনি বৈঠক করেন। রাজ্যপালের বিবৃতিতে উল্লেখ, ‘মানুষকে বোকা বানাতে পারবে ভেবে যারা হিংসার আশ্রয় নেয় তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে তারা মুর্খের স্বর্গে বাস করছে। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। রামনবমীর দিন জনগণের সম্পত্তিতে আগুন লাগানো প্ররোচনামূলক। ধর্ম রক্ষায় লঙ্কায় আগুন লাগিয়েছিলেন হনুমান। পুলিশ নিরপেক্ষ ও সৎ হবে। তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও শান্তিপ্রিয় মানুষকে বিমুখ করবে না নিশ্চয়ই’।
জানা গিয়েছে, হাওড়া পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে রাজ্যপাল আলোচনা করেছে। রাজ্যকে তাঁর নির্দেশ, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ঠিক থাকে এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রাজ্যপালকে যথাযথ ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শোনা যাচ্ছে, হাওড়াকাণ্ডে রাজ্যপালের বিবৃতিতে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও। বিরোধী দলনেতার টুইট, ‘এটা জেনে ভালো লাগল যে. রাজভবন চোখ-কান খোলা রাখবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।
আবার এদিকে হাওড়ার জিটি রোড লাগোয়া কাজিপাড়া থেকে সন্ধ্যাবাজার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন ১৪৪ ধারার আওতায়। পুলিশের তরফে এলাকায় মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দু’জন থেকে তিনজনের বেশি ব্যক্তি এক জায়গায় জড়ো হলে বা চলাফেলা করলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ গ্রেফতার করবে। রাস্তায় প্রচুর পুলিস ও RAF কে মোতায়েন করা হয়েছে।







