অবশেষে ‘সিঙ্গল’ জীবনের অবসান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। পাত্রী রিঙ্কু মজুমদার। বৈদিক মতে ও রেজিস্ট্রি করে সম্পন্ন হল তাঁদের শুভ পরিণয়। ৬১ বছর বয়সে দিলীপ ঘোষের এই নতুন ইনিংস নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
তবে, একা দিলীপ ঘোষ নন, অতীতেও অনেক রাজনৈতিক নেতাই বেশি বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। তাঁদের মধ্যে কারও কারও আবার দ্বিতীয় বিয়েও ছিল।
দ্রাবিড় আন্দোলনের জনক ইভি রামাস্বামী পেরিয়ার ৭০ বছর বয়সে ৩২ বছরের এক মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন। ভারতীয় সংবিধানের রূপকার বি আর আম্বেদকর ৫৭ বছর বয়সে ৩৯ বছরের ড. সারদা কবীরকে জীবনসঙ্গী করেন। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধি নিজের থেকে ৪২ বছরের ছোট রাজাথি আম্মালকে বিয়ে করেন। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং ৬৭ বছর বয়সে সাংবাদিক অমৃতা রাইকে বিয়ে করেন। সিপিআইএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠ ৭৭ বছর বয়সে ৪২ বছরের মানসী দে-কে বিয়ে করেন। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ৫০-এর গণ্ডি পার করে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন। কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র ৫৪ বছর বয়সে শিখা মিত্রকে বিয়ে করেন। কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি ৫০ পেরিয়ে দীপা দাশমুন্সিকে বিয়ে করেন।
এই তালিকা প্রমাণ করে, রাজনীতির কঠিন ময়দানেও ভালোবাসার ছোঁয়া লেগেছে বহুবার। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে দিলীপ ঘোষ ও রিঙ্কু মজুমদারের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করছে তাঁদের শুভানুধ্যায়ীরা।







